শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে দাদা,দাদী, মায়ের,মাগফিরাত কামনায় সেলাই মেশিন বিতরণ বকশীগঞ্জ সদর হাসপাতালে মসজিদের দানবাক্স ভেঙ্গে চুরির অভিযোগে যুবক আটক ​ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান বাঘায় ১৫৪ বোতল ভারতীয় স্কাফসহ যুবক আটক বকশীগঞ্জে সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নিয়ামতপুর উপজেলায় সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে কালাইয়ের খেতে ছাগল যাওয়া নিয়ে মারধরে মা ছেলে আহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন-পৌরসভার বিশেষ অভিযান বকশীগঞ্জের লাউচাপড়ায় পর্যটন কেন্দ্র উন্নয়নে কনসালটেশন সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে মন্টু সভাপতি ও ফয়সাল মাহমুদ সম্পাদক নির্বাচিত

নিয়ামতপুরে খাল পুনঃখননে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত: কাজ শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত ৯.৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দের অর্থ সাশ্রয় করে ফেরত দিল উপজেলা প্রশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় প্রশংসিত ইউএনও মুর্শিদা খাতুন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯১ সময়-দৃশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও আর্থিক শৃঙ্খলার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা প্রশাসন। খাল পুনঃখননের নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার পর বরাদ্দের অব্যয়িত ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল ও কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চন্দননগর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর রেজাউলের জমি থেকে সন্তোষপাড়া ছাতড়া বিল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রকল্পটির জন্য মোট ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ৪১৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা অব্যয়িত থাকে। কোনোভাবে তা ব্যয় না করে সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এতে সরকারি অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টি আরও সুস্পষ্ট হয়েছে।

চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম বলেন, “প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা আমাদের এলাকায় অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দৃষ্টান্ত। সরকারি অর্থের প্রতি এমন দায়িত্বশীলতা ভবিষ্যতের প্রকল্প বাস্তবায়নেও আস্থা বাড়াবে।”

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, খালটি পুনঃখননের ফলে কৃষিজমিতে সেচব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, “সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেটের মধ্যেই সাশ্রয়ী ও মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করেছি। জনগণের অর্থের অপচয় না করে অব্যয়িত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে ছিনতাইকারীর হাতে অটোরিস্কাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্থানীয়রা সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, সুশাসন ও আর্থিক জবাবদিহিতার ইতিবাচক নজির হিসেবে দেখছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যটাগরির আরও খবর
© All rights reserved ©2026 dainikajkerkholakagoj.com