শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই জন গ্রেপ্তার নিয়ামতপুরে খাল পুনঃখননে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত: কাজ শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত ৯.৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দের অর্থ সাশ্রয় করে ফেরত দিল উপজেলা প্রশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় প্রশংসিত ইউএনও মুর্শিদা খাতুন আদিবাসীদের উন্নয়নে বরাদ্দের শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে: এমপি মোস্তাফিজুর রহমান নিয়ামতপুরে চায়ের দোকানে পুলিশের অভিযান, ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের মতবিনিময় আলহামদুলিল্লাহ ত্রাণ চাই না, নদী বাঁচাও, টিআরএম চালু করো” — ভবদহ বিল ও স্লুইস গেটে জীবনের দুর্ভোগ ড্রাম বাজিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মহাসড়ক পারাপার, বীরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ঝিনাইদহে সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের যুগান্তকারী সাফল্য

নিয়ামতপুরে খাল পুনঃখননে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত: কাজ শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত ৯.৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দের অর্থ সাশ্রয় করে ফেরত দিল উপজেলা প্রশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় প্রশংসিত ইউএনও মুর্শিদা খাতুন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৬ সময়-দৃশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও আর্থিক শৃঙ্খলার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা প্রশাসন। খাল পুনঃখননের নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করার পর বরাদ্দের অব্যয়িত ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল ও কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চন্দননগর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর রেজাউলের জমি থেকে সন্তোষপাড়া ছাতড়া বিল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রকল্পটির জন্য মোট ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ৪১৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা অব্যয়িত থাকে। কোনোভাবে তা ব্যয় না করে সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এতে সরকারি অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টি আরও সুস্পষ্ট হয়েছে।

চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম বলেন, “প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা আমাদের এলাকায় অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দৃষ্টান্ত। সরকারি অর্থের প্রতি এমন দায়িত্বশীলতা ভবিষ্যতের প্রকল্প বাস্তবায়নেও আস্থা বাড়াবে।”

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, খালটি পুনঃখননের ফলে কৃষিজমিতে সেচব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, “সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেটের মধ্যেই সাশ্রয়ী ও মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করেছি। জনগণের অর্থের অপচয় না করে অব্যয়িত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  আইডাহোতে শপিং সেন্টারে গুলি, নিহত ৩

উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্থানীয়রা সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, সুশাসন ও আর্থিক জবাবদিহিতার ইতিবাচক নজির হিসেবে দেখছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যটাগরির আরও খবর
© All rights reserved ©2026 dainikajkerkholakagoj.com